সোমবার ৪ মার্চ ২০২৪
অনিচ্ছায় জড়িয়ে পড়ছি ভ্রান্তির জালে
এস এম মুকুল
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৩, ৭:১৬ PM আপডেট: ২৯.১১.২০২৩ ৭:৩১ PM
দেশে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারির সংখ্যা বাড়ছে। একই সাথে বাড়ছে সাইবার ক্রাইমের প্রবণতা, বাড়ছে ঝুঁকি। কিন্তু ব্যবহারকারিদের সচেতনতা সে তুলনায় একেবারেই তলানিতে পড়ে আছে। এক পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, ২০১২ সালে দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারির সংখ্যা ছিল নয় কোটি ৭০ লাখ, যা ২০১৯ সালে এসে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬ কোটিতে। ২০১২ সালে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারি ছিল সাড়ে তিন কোটি, যা ২০১৯ সালে এসে দাঁড়ায় ১০ কোটিতে। মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারির সংখ্যা ২০১২ সালে ছিণ তিন কোটি, যা ২০১৯ সালে নয় কোটিতে উন্নিত হয়েছে। বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে কৃষক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক পর্যন্ত সব শ্রেণি ও পেশার মানুষ ইন্টারনেট নেটওর্য়াকে যুক্ত হচ্ছ। অথচ এই ইন্টারনটে ব্যবহাররে মাধ্যমে একটি ভার্চুয়াল জগতের বাসিন্দা হলেও বিশ্ব নাগরিক হিসেবে ব্যবহারকারীদের সিংহভাগ একেবারেই সচতেন নন। এ বিষয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার গবেষণায় উঠে এসেছে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশে দ্রুত স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে এসব ব্যবহারের ক্ষেত্রে কী ধরনের ঝুঁকি থাকতে পারে, অধকিাংশ গ্রাহকই সে ব্যাপারে অসচেতন। যারফলে স্মার্টফোন ব্যবহার করে অর্থনৈতিক লেনদেন এবং ব্যাংকিং কার্যক্রমের ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড চুরিসহ তথ্য চুরি হওয়ার ঝুঁকি প্রবলতর হচ্ছে। আর এই অন্তর্জালে যুক্ত হতে গিয়ে ইচ্ছায় বা অনচ্ছিায় অনেকে জড়িয়ে পড়ছেন ভ্রান্তির জালে। এভাবেই বহুমাত্রিক অপরাধে ডিজিটাল রূপান্তর সমাজে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।

সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনসে ফাউন্ডশেন (সিসিএ ফাউন্ডশেন) সূত্রে জানা যায়, ইন্টারনটে ব্যবহার করতে গিয়ে প্রায় ৬৮ শতাংশ নারী সাইবার অপরাধের শিকার হচ্ছেন। ২০১৮ সালে দেশে সাইবার অপরাধের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে ফোনে বার্তা পাঠিয়ে হুমকি দেওয়ার ঘটনা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কপিরাইট আইন লঙ্ঘন, অনলাইনে পণ্য বিক্রি করতে গিয়ে প্রতারণা এবং অনলাইনে কাজ করিয়ে নেওয়ার কথা বলে প্রতারণা। সাইবার অপরাধে আক্রান্তদরে মধ্যে ফোনে বার্তা পাঠিয়ে হুমকির শিকার হচ্ছেন ছয় দশমিক ৫১ শতাংশ। কপিরাইট লঙ্ঘনের মাত্রা পাঁচ দশমিক ৫৮ শতাংশ দখল করেছে। অনলাইনে কাজ করিয়ে নিয়ে প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে এক দশমিক ৪০ শতাংশ। সিসিএ ফাউন্ডেশনের ২০১৮ সালের গবষেণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় মাত্রাতিরিক্ত হারে  বেড়েছে পর্নোগ্রাফি। এই অপরাধ দুই দশমিক ২৫ শতাংশ  থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয় দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশে। অনলাইনে বার্তা পাঠিয়ে হুমকির ঘটনা ১৩ দশমিক পাঁচ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ক্যাসপারেস্কি ল্যাবের প্রতিবেদনে জানা যায়, বাংলাদেশে স্মার্টফোনে ম্যালওয়্যার আক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি ১০০ জন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর মধ্যে ২৮ জনই ম্যালওয়্যারের আক্রমণের শিকার হচ্ছে। এর আগে ২০১৫ সালে এই আক্রমণের শিকার ছিল ১০ জন, ২০১৬ সালে ১৩ জন, ২০১৭ সালে ১৯ জন এবং ২০১৮ সালে ২৪ জন। বাংলাদেশের অর্ধেক ব্যাংক এখনো সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন  প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ ইন্সটিউট অব ব্যাংক ম্যানজেমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবষেণা প্রতিবেদনে জানা গেছে দেশের মোট ব্যাংকের ৫০ ভাগ সাইবার নিরাপত্তায়  নেক্সট জেনারেশন ফায়ার ওয়াল (এনজিএফডব্লিউ) সফটওয়্যার পুরোপুরি স্থাপন করতে পারেনি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩৫ শতাংশ ব্যাংক আংশিক এবং ১৫ শতাংশ ব্যাংক এই ফায়ার ওয়াল স্থাপনের অনুমোদন পর্যায়ে রয়েছে। তাই এই ৫০ শতাংশ ব্যাংকের সাইবার নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে।

দেশে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের সঙ্গে সমান্তরাল হারে বাড়ছে সাইবার অপরাধ। সহিংস উগ্রবাদ, গুজব, রাজনৈতিক অপপ্রচার, মিথ্যা সংবাদ, গ্যাং কালচার, আত্মহত্যা, পর্নোগ্রাফি, সাইবার বুলিং, জালিয়াতি, চাঁদাবাজি, পাইরেসি, আসক্তি- এমনসব অপরাধমূলক কাজ সংগঠিত হচ্ছে প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে আমাদেরকে থাকতে হবে। তবে প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঝুঁকিমুক্ত থাকতে হলে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার জানতে হবে। আমাদেরকে আরো সচেতন হতে হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রেস ইন্সস্টিটিউট-পিআইবি আয়োজিত ঢাকার গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য আয়োজিত সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালায় আমি অংশগ্রহণ করি। অনুষ্ঠানের প্রধান অথিতি আপিল ডিভিশনের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন- অনলাইন, ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহারের পাশাপাশি অপব্যবহারও হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী বাড়ছে সাইবার অপরাধ। একারণেই সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি এখন খুবই গুরুত্ব পাচ্ছে। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এজন্যই সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। আমাদের সাইবার নিরাপত্তা আইনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকার  অবকাশ নেই। ভয় থাকতে পারে এই আইনের অপব্যবহার হতে পারে এই বিষয়ে। তিনি বলেন, আইনের অপব্যবহার কাম্য নয়। এরপরও যদি এমটি কারো ক্ষেত্রে হয় তাহলে তিনিও আইনি আশ্রয়ের সুযোগ নিতে পারবেন। তাইবলে আইনকে ভয় পেয়ে আপনারা যারা সাংবাদিকতা করেন তারা যেন অনুসন্ধানি সাংবাদিকতা থেকে বিরত না থাকেন। কারণ আপনারা অনুসন্ধানি প্রতিবেদন না করলে ক্ষতিগ্রস্থ হবে দেশ ও দেশের জনগণ। তিনি সাংবাদিকদেরকে উৎসাহ দিয়ে বলেন, আমি বলব আপনাদের অনুসন্ধানি প্রতিবেদনকে উপজীব্য করে জনস্বার্থে অনেক রিট করা হয়। এমনসব রিটের ফলে অনেক অন্যায়, অপরাধ, দুর্নীতি, অনিয়ম বন্ধ হওয়া এমনকি অপরাধিরা সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার অনেক ঘটনা রয়েছে।

ওয়ার্কশপ শেষে সমাপনী অনুষ্ঠানে পিআইবি’র মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ বলেন, সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে আমাদেরকে সচেতন হতেই কবে। যেহেতু আমরা প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার করছি। ডিজিটাল বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমাদেরকে আরো সচেতনভাবে প্রযুক্তির উত্তম ব্যবহার সম্পর্কে জানতে হবে। কারণ তথ্য প্রযুক্তি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার ক্রাইমও বাড়ছে। সুতরাং প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে উপযোগী না হতে পারলে বিপর্যয় ঘটবে। এ বিষয়ে সাংবাদিক বন্ধুরা নিজেরা সচেতন হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে সচেতন করার ক্ষেত্রে সচেতন দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হওয়ার কারণে আমরা এই ওয়ার্কশপের আয়োজন করেছি। এর ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং প্রশিক্ষণের সময় বৃদ্ধির বিষয়টিও বিবেচনা করে আগামী দিনে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তৈরি করব।

বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়, আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা-সংক্রান্ত একাধিক গবেষণা প্রতিবেদনে সাইবার নিরাপত্তার র্শীষ ঝুঁকিপূর্ণ  দেশের তালিকায় উঠে এসছে বাংলাদেশের নাম। সাইবার নিরাপত্তা সেবাদাতা ও গবষেণা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারেস্কির চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের প্রতিবেদনে ব্যক্তিগত কম্পউিটারে (ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ) ভাইরাস আক্রমণে বাংলাদেশ তালিকার এক নম্বরে রয়েছে। আর স্মার্টফোনে ম্যালওয়্যার আক্রমণে রয়েছে তৃতীয় স্থানে। উল্লেখ্য আগের বছরে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণে র্শীষে এবং র্স্মাটফোনে আক্রমণের ক্ষেত্রে ঢাকা ছিল চতুর্থ স্থানে। এ বছরে  দেখা যাচ্ছে স্মার্টফোনে আক্রমণ আগের চেয়ে বেড়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরাও সাইবার নিরাপত্তার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান অত্যন্ত নাজুক বলে জানিয়েছেন।

ওয়ার্কশপের প্রশিক্ষক ডেইলিস্টারের সাবেক সাংবাদিক ও সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর অতিমাত্রিক ব্যবহার ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেখা যাচ্ছে আমরা রিয়েল লাইফের চেয়ে বেশি জড়িয়ে পড়ছি সাইবার জগতের সাথে। আমাদের ব্যক্তিক, পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কগুলো ডিজিটালাইজড হয়ে যাচ্ছে। এই রূপান্তর অনেক ক্ষতির কারণ হতে পারে। কাজেই প্রযুক্তির অতিরঞ্জিত ব্যবহার থেকে আমাদেরকে সংযত থাকার পাশাপাশি প্রযুক্তির সর্বোত্তম ও প্রায়োগিক ব্যবহারে উদ্ধুদ্ধ হতে হবে। একই সাথে নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতনতার কোনো বিকল্প নাই।

ওয়ার্কশপের প্রশিক্ষক সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক তানভীর হাসান জোহা বলেন, সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইনে আর্থিক লেনদেনের ঝুঁকি। বাংলাদশে ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন মাসে প্রায় এক হাজার ১০০ কোটি টাকা। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সাইবার নিরাপত্তা বলতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কে কী মন্তব্য করল, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণকে বোঝানো হচ্ছে। তবে ঝুঁকি বাড়ছে অনলাইন ব্যাংকিং,  কেনাকাটাসহ অনলাইনে তথ্য আদান-প্রদান কার্যক্রমকে ঘিরে। তাই আমাদেরকে এক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়ে অধিক নজরদারি করতে হবে। তিনি বলেন, ভুয়া পরিচিতি, ব্ল্যাকমেইলিং, যৌন হয়রানি, অপব্যবহার, সাইবার বুলিং এবং হুমকি প্রদানের মতো অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। এসব মাধ্যমে ৪৭ ভাগ পুরুষ এবং ৫৩ ভাগ নারী সাইবার অপরাধের শিকার হচ্ছেন। তিনি পরিসংখ্যান উল্লেখ করে বলেন, সাইবার অপরাধের ধরণগুলোর মধ্যে ব্ল্যাকমেইলিং হয় সাত শতাংশ, পর্নোগ্রাফি ১৪ শতাংশ, আর্থিক প্রতারণা ১৪ শতাংশ, হ্যাকিং ২০ শতাংশ এবং ফ্যাক বা নকল আইডি ২০ শতাংশ হয়ে থাকে। তাই সাইবার নিরাপত্তায় সচেতনতা এবং সাইবার নিরাপত্তা আইনকে আরো উপযোগী করে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। ওয়ার্কশপে স্বাগত বক্তব্যে পিআইবি’র পরিচালক প্রশাসন, ইলিয়াস ভূইয়া বলেন- আমাদের দেশে ৯০ দশকে কম্পিউটার, ইন্টারনেট সাইবার ক্যাফের মাধ্যমে বিস্তৃতি লাভ করে। আজ ইন্টারনেট, অনলাইন, ফেসবুক, স্মার্টফোনের অতিমাত্রিক ব্যবহারই সাইবার ঝুকি বাড়াচ্ছে। আমাদেরকে অবশ্যই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে যথেষ্ট সচেতনতা এবং দায়িত্বশীলতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। তা না হলে অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটতেই থাকবে।

এস এম মুকুল : আহ্বায়ক, বইকেন্দ্রিক সামাজিকতার জাগরণে প্রচারাভিযান কর্মসূচি (বইসাজ), বিশ্লেষক ও কলাম লেখক।

আজকালের খবর/আরইউ








সর্বশেষ সংবাদ
বেইলি রোড ট্র্যাজেডি : উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন হাইকোর্টের
আমাদের সবগুলো সূচকই বাড়ছে, হতাশার কিছু নেই: অর্থমন্ত্রী
উখিয়ায় করাতকল উচ্ছেদ, কাঠ জব্দ
অভিযোগ করে ব্যর্থ হয়ে মুন্সীগঞ্জে মেয়র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন
লাক্ষাদ্বীপে সামরিক ঘাঁটি করছে ভারত
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
রাজধানীজুড়ে বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় অভিযান, আটক ৩৫
বিজিবি সদস্যদের চেইন অব কমান্ড মেনে চলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ে দেশি কৃষিবিদ ও কৃষকদের নিয়োগের প্রস্তাব
আমি সার্বিকভাবে মেয়রকে সহযোগিতা করতে চাই: এমপি হাফিজ উদ্দীন আহম্মেদ
মতলবে অন্তঃসত্ত্বার উপর অ্যাসিড নিক্ষেপকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft